কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬ এ ০৯:২৫ PM
কন্টেন্ট: পাতা
স্থানীয় বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে এবং গণমানুষের সহযোগিতায় ১৯৮১ সালে "মোংলা কলেজ" নামে কলেজটির যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর মোংলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এ বিদ্যাপীঠ এলাকার মানুষের শিক্ষা ও সংস্কৃতির কাঙ্ক্ষিত চাহিদা মিটিয়ে আলোকিত মানুষ গড়ার এক মহান ব্রত পালন করে চলেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা এ জনপদবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণে এ বিদ্যাপীঠ আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে। ২০১৬ সালের ৩০শে মার্চ কলেজটি "মোংলা সরকারি কলেজ" নামে জাতীয়করণ করা হয়।
মোংলা সরকারি কলেজ বর্তমানে একটি পূর্ণাঙ্গ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক (পাস) ও স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ পাঠদান করেন। মোংলা সরকারি কলেজে পর্যাপ্ত না হলেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক শ্রেণিকক্ষ, সমৃদ্ধ একটি লাইব্রেরি, বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাব, শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টরে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা, ছাত্র-ছাত্রী কমনরুম, বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য রয়েছে প্রজেক্টর এবং সাউন্ড সিস্টেম সম্বলিত বৃহৎ মিলনায়তন। ৫.২১ একর জমির উপর প্রায় বর্গাকার এবং চতুর্দিকে সীমানা প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত একটি ক্যাম্পাস, যেটি ফুল-ফল শোভিত অসংখ্য বৃক্ষের ছায়ায় ঢাকা। কলেজ চলাকালীন ক্যাম্পাসে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে সেজন্য শিক্ষকবৃন্দের তত্ত্বাবধানে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিবিড় পরিচর্যার জন্য প্রত্যেক শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছে ১০/১২ জন শিক্ষার্থীর পরিচর্যার ভার সকলের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সহযোগিতায় অত্যন্ত চমৎকার একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে "মোংলা সরকারি কলেজ।"
মোংলা সরকারি কলেজ পৃথিবীর অন্যতম ক্লাইমেট ভিক্টিম অঞ্চলে অবস্থিত। এজন্য পরিবেশ সচেতনতা তৈরি এবং পরিবেশ শিক্ষার জন্য কলেজে অনেক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। একজন শিক্ষার্থী সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা নিরলস চেষ্টা করে থাকি।
কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায়ী শিক্ষা শাখায় পাঠদান করা হয়। ডিগ্রি পর্যায়ে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাঠদান করা হয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগে অনার্স পর্যায়ে পাঠদান করা হয়।
কলেজের শিক্ষকবৃন্দ মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের জন্য বদ্ধপরিকর। মোংলা সরকারি কলেজ তার লক্ষ্যপূরণে স্ব-মহিমায় এগিয়ে যাবে সব বাধা অতিক্রম করে এটিই আমাদের প্রত্যাশা।
অধ্যাপক কে এম রব্বানী